binodonerpadmaful
ঢাকা সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

লালমনিরহাটের চাষীদের আগ্রহ বাড়ছে চিনাবাদাম চাষে


বিনোদনের পদ্মফুল | মো. মাসুদ রানা রাশেদ মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম লালমনিরহাটের চাষীদের আগ্রহ বাড়ছে চিনাবাদাম চাষে

কৃষিতে চিনাবাদাম একটি লাভজনক ফসল। চিনাবাদাম চাষে কম ব্যয় সম্পন্ন হওয়ায় দিনে দিনে এর চাষাবাদ বেড়েই চলেছে। চিনাবাদামের কাঙ্খিত ফলন ও দাম ভাল পাওয়ার কারণে লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার প্রান্তিক চাষীদের চিনাবাদাম চাষে আগ্রহ বাড়ছে।
লালমনিরহাটের জমি চিনাবাদাম চাষের উপযোগী হওয়ায় অনান্য ফসল চাষের চেয়ে চিনাবাদাম চাষ করে কৃষকেরা বেশ লাভবান বলেই চিনাবাদাম চাষ করছেন।


চিনাবাদাম চাষি কৃষকেরা বলেন, চিনাবাদাম চাষে বিঘা প্রতি খরচ হয় ৮ হাজার হতে ১০ হাজার টাকা। চিনাবাদাম উৎপাদনে সময় লাগে ৪ মাস পর্যন্ত। প্রতি বিঘায় চিনাবাদাম পাওয়া যায় ৮মণ হতে ১০ মণ। এতে কৃষকেরা বেশ লাভবান হচ্ছেন। গত বছর চিনাবাদামের সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ৩হাজার থেকে ৩হাজার ৫শত টাকা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চিনাবাদাম চাষে কৃষকের খরচ কম, ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় চিনাবাদাম চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। এ জন্য চিনাবাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা প্রতিবছর ছাড়িয়ে যাচ্ছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা চিনাবাদাম চাষি কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান করছেন।
‎লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোঃ সাইখুল আরিফিন বলেন, চিনাবাদাম উফশী জাতের বারি চিনাবাদাম-৮, বারি চিনাবাদাম-৪, ঢাকা-১(ডিজি-১), বিনা চিনাবাদাম-৪, বারি চিনাবাদাম-৫, বিনা চিনাবাদাম-৮, ডিজি-২, বিনা চিনাবাদাম-৬, বারি চিনাবাদাম-৯ চাষ হচ্ছে। এছাড়াও স্থানীয় জাতের চিনাবাদাম চাষ হচ্ছে।
উল্লেখ্য যে, এ বছর লালমনিরহাট জেলার ৫টি উপজেলার মধ্যে লালমনিরহাট সদরের ৫৫হেক্টর, আদিতমারীতে ১শত ৩০হেক্টর, কালীগঞ্জে ১শত ১০হেক্টর, হাতীবান্ধায়র১শত ৮৫হেক্টর ও পাটগ্রামে ২৫হেক্টরসহ মোট ৫শত ৫হেক্টর জমিতে বাদামের চাষ হয়েছে।

Side banner