মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারের জেরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে চারজন আহত হয়েছেন। এ সময় দোকানপাট ও বসতঘরে লুটপাট ও ভাংচুর করা হয়। ঘটনার পর উত্তেজনা বিরাজ করায় মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে পুলিশের টহল।
এর আগে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বর্তমান ইউপি সদস্য ফারুক বেপারীর সমর্থক মিন্টু খাঁর ছেলে মিনহাজকে একা পেয়ে মারধর করে সাবেক ইউপি সদস্য জসিম মোল্লার সমর্থক রেজাউল মোল্লা ও তার ছেলে অপু। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্যদের দুইপক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ ঘটনায় আহত হন চারজন।
এ সময় রিয়াদ মাতুব্বর, বিলকিস বেগম, গফুর বেপারী, ইব্রাহীম বেপারী, নজর বেপারী, আবুল মাতুব্বরসহ বেশ কয়েকজনের বসতঘর ও দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রলে আনে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় বাড়ানো হয়েছে পুলিশের টহল। এই ঘটনায় দোষিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও জানায় পুলিশ।
এর আগে, সোমবার রাতে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ওইদিন রাত ১০টার দিকে জেলা শহরের আমিরাবাদ ইউআই স্কুলের পেছনে বলরাম মন্দির এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় উভয় পক্ষের লোকজন অন্তত পাঁচ থেকে ছয়টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। খবর পেয়ে মাদারীপুর সদর থানার পুলিশ ও র্যাবের কয়েকটি টিম ঘটনাস্থলে এসে টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উক্ত ঘটনায় কোনো হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ ও র্যাবের টিম টহলরত অবস্থায় রয়েছে। উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে।








































আপনার মতামত লিখুন :